ENGULFIN

এনগাল্ফিং প্যাটার্ন কি ?

ইংরেজিতে Engulfing কথার অর্থ হলো "জড়িত"  মানে জড়িয়ে রাখা বা ঢেকে রাখা বা বলা যেতে পারে গিলে ফেলা। এখানে একটা ক্যান্ডেল অন্য ক্যান্ডেলকে যখন পুরো ঢেকে রাখে তখন তাকে এনগাল্ফিং প্যাটার্ন বলে।  

এনগাল্ফিং প্যাটার্ন এর বৈশিষ্ট্য :

১. এই প্যাটার্ন দুটি ক্যান্ডেল নিয়ে গঠিত। 
২. এই প্যাটার্নে ক্যান্ডেল দুটিকে  আলাদা রঙের হতে হবে। 
৩. এই প্যাটার্নে আগের ক্যান্ডেলটি ছোট হতে হবে ও 
৪. পরের ক্যান্ডেলটি আগের তুলনায় অনেক বড়ো হতে হবে। 
৫. বড়ো ক্যান্ডেলটি সবসময় ছোট ক্যান্ডেলকে ঢেকে রাখতে হবে। 
৬. ছোট ক্যান্ডেলের হায় বড়ো ক্যান্ডেলের হায় এর তুলনায় ছোট হতে হবে। 
৭. ছোট ক্যান্ডেলের লো বড়ো ক্যান্ডেলের লো এর তুলনায় বড়ো হতে হবে। 


এনগাল্ফিং প্যাটার্ন কত ধরণের ?

👉 বুলিশ এনগাল্ফিং প্যাটার্ন
👉 বেয়ারিশ  এনগাল্ফিং প্যাটার্ন

👉 বুলিশ এনগাল্ফিং প্যাটার্ন

এই প্যাটার্নের বৈশিষ্ট্য বা চেনার উপায় 

১. এই প্যাটার্নে লাল ক্যান্ডেলটি ছোট ও সবুজ ক্যান্ডেলটি বড়ো হবে। 
২. সবুজ ক্যান্ডেলটি সবসময় লাল ক্যান্ডেলকে ঢেকে রাখতে হবে।
৩. লাল ক্যান্ডেলের হায় সবুজ ক্যান্ডেলের হায় এর তুলনায় ছোট হতে হবে। 
৪. লাল ক্যান্ডেলের লো সবুজ ক্যান্ডেলের লো এর তুলনায় বড়ো হতে হবে। 


👉 বেয়ারিশ এনগাল্ফিং প্যাটার্ন

এই প্যাটার্নের বৈশিষ্ট্য বা চেনার উপায় 

১. এই প্যাটার্নে সবুজ ক্যান্ডেলটি ছোট ও লাল ক্যান্ডেলটি বড়ো হবে। 
২. লাল ক্যান্ডেলটি সবসময় সবুজ ক্যান্ডেলকে ঢেকে রাখতে হবে।
৩. সবুজ ক্যান্ডেলের হায় লাল ক্যান্ডেলের হায় এর তুলনায় ছোট হতে হবে। 
৪. সবুজ ক্যান্ডেলের লো লাল ক্যান্ডেলের লো এর তুলনায় বড়ো হতে হবে। 

বুলিশ এনগাল্ফিং প্যাটার্নে কি ভাবে ট্রেড করা যায় ?

দীর্ঘ ডাউনট্রেন্ডের পরে এই প্যাটার্ন দেখা যায় এবং আপট্রেন্ডের সংকেত দেয়। তাই এই প্যাটার্ন দেখলে কেনার সুযোগ খুঁজতে হবে। যেকোনো সময়ের চার্টে এই প্যাটার্ন ভালো কাজ করে এবং চার্টে খুঁজে পাওয়াও খুব সহজ। 

প্রথমে দেখতে হবে যে............

১. যেন শেয়ারটি ডাউনট্রেন্ডে থাকে। 
২. দীর্ঘ ডাউনট্রেন্ডের পর এই প্যাটার্ন তৈরী হচ্ছে কী না। 
৩. লাল ক্যান্ডেলের বডি বা উইকস সমেত বডি যেন সবুজ ক্যান্ডেলের বডির মধ্যে ঢাকা থাকে অর্থাৎ লাল ক্যান্ডেলের হায় ও লো যেন সবুজ ক্যান্ডেলের ওপেন ও ক্লোসের মধ্যে থাকে। 



উপরের তিনটি শর্ত পূর্ণ হলে ট্রেড নিলে লোকসান হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। 

বেয়ারিশ এনগাল্ফিং প্যাটার্নে কি ভাবে ট্রেড করা যায় ?

দীর্ঘ আপট্রেন্ডের পরে এই প্যাটার্ন দেখা যায় এবং ডাউনট্রেন্ডের সংকেত দেয়। তাই এই প্যাটার্ন দেখলে শেয়ার বিক্রী করার সুযোগ খুঁজতে হবে। যেকোনো সময়ের চার্টে এই প্যাটার্ন ভালো কাজ করে এবং চার্টে খুঁজে পাওয়াও খুব সহজ। 

প্রথমে দেখতে হবে যে............

১. যেন শেয়ারটি আপট্রেন্ডে থাকে। 
২. দীর্ঘ আপট্রেন্ডের পর এই প্যাটার্ন তৈরী হচ্ছে কী না। 
৩. সবুজ ক্যান্ডেলের বডি বা উইকস সমেত বডি যেন লাল ক্যান্ডেলের বডির মধ্যে ঢাকা থাকে অর্থাৎ সবুজ ক্যান্ডেলের হায় ও লো যেন লাল ক্যান্ডেলের ওপেন ও ক্লোসের মধ্যে থাকে। 



উপরের তিনটি শর্ত পূর্ণ হলে ট্রেড নিলে লোকসান হওয়ার সম্ভাবনা কম থাকে। 

বুলিশ এনগাল্ফিং প্যাটার্নে কোথায় টার্গেট ও স্টপলস হবে ?

এন্ট্রি পয়েন্ট : লাল ক্যান্ডেলের পরে সবুজ ক্যান্ডেলটি যখন শেষ হবে এবং যদি উপরের তিনটি শর্ত পূর্ণ করে তাহলে সবুজ ক্যান্ডেলের ক্লোজ প্রাইসের সামান্য কিছু উপড়ে এন্ট্রি নেওয়া যেতে পারে। 

স্টপলস : সবুজ ক্যান্ডেলের ওপেন প্রাইসের সামান্য কিছু নিচে রেখে দিতে হবে স্টপলস। 

টার্গেট : টার্গেট সবসময় ট্রেডারের উপর নির্ভর করে।  সে কতটা ধৈর্যশীল বা কত সময় সে দিতে পারবে ওই ট্রেডের উপর। তাও বলা যেতে পারে সুইং দেখে স্টপলস ট্রেইল করা যেতে পারে বা সাপোর্ট রেসিস্টেন্স দেখে মুনাফা নিয়ে ট্রেড থেকে বেরিয়ে যা উচিত। 

বেয়ারিশ এনগাল্ফিং প্যাটার্নে কোথায় টার্গেট ও স্টপলস হবে ?

এন্ট্রি পয়েন্ট : সবুজ ক্যান্ডেলের পরে লাল ক্যান্ডেলটি যখন শেষ হবে এবং যদি উপরের তিনটি শর্ত পূর্ণ করে তাহলে লাল ক্যান্ডেলের ক্লোজ প্রাইসের সামান্য কিছু নিচে এন্ট্রি নেওয়া যেতে পারে। 

স্টপলস :  লাল  ক্যান্ডেলের ওপেন প্রাইসের সামান্য কিছু উপড়ে রেখে দিতে হবে স্টপলস। 

টার্গেট : টার্গেট সবসময় ট্রেডারের উপর নির্ভর করে।  সে কতটা ধৈর্যশীল বা কত সময় সে দিতে পারবে ওই ট্রেডের উপর। তাও বলা যেতে পারে সুইং দেখে স্টপলস ট্রেইল করা যেতে পারে বা সাপোর্ট রেসিস্টেন্স দেখে মুনাফা নিয়ে ট্রেড থেকে বেরিয়ে যা উচিত। 



 


Comments

Popular posts from this blog

HANGING MAN CANDLE STICK